CSE-India


লিস্টিং নির্দেশিকা

আইপিওএস এর জন্য



  • ১৯৯৬ সালের ২২শে মার্চ সিএসই এক্সচেঞ্জে অনুষ্ঠিত সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে সেই সালের ১লা এপ্রিল থেকে নতুন কোম্পানির তালিকার জন্য প্রান্তিক সীমা প্রদত্ত অংশিদারী মূলধনের পরিমাণ হবে ৫ কোটি এবং তার ঊর্ধ্বে।
  • নতুন কোম্পানির ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে ৯ই জুন ২০০০ থেকে উচ্চ প্রযুক্তিযুক্ত (অর্থাৎ, তথ্য প্রযুক্তি, ইন্টারনেট, ই কমার্স, টেলিযোগাযোগ ইত্যাদি) নির্ণায়কগুলি প্রান্তিক সীমা বিবেচিত পর প্রযোজ্য হবে
  • কোম্পানীর অডিটর দ্বারা প্রত্যয়িত হয় যে ইন্টারনেট, ই কমার্স টেলিযোগাযোগ, তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্রধান কার্যকলাপ থেকে মোট আয় / বিক্রয় পূর্ববর্তী দুটি বছরের মোট আয়ের ৯০%কম হবে না।
  • সর্বনিম্ন পোস্ট ইস্যু পরিশোধিত মূলধন হবে ৩.০০ কোটি টাকা
  • সর্বনিম্ন বাজার মূলধনে টাকা হোল ২৫,০০ কোটি টাকা।(বাজার মূলধন হিসাব করা হয় অংশিদারী শেয়ারের পরবর্তী ইস্যু গ্রাহক সংখ্যার বিলি মূল্যের গুণকারক নির্ণিত ফলাফলের দ্বারা।)

 

প্রত্যক্ষ তালিকা (অর্থাৎ বর্তমানের অন্যান্য স্টক এক্সচেঞ্জ সঙ্গে তালিকাভুক্ত কোম্পানী / সিএসই এর তালিকা সন্ধান ) ৯ই জুন ২০০০ থেকে স্থির হয় কোম্পানী প্রদত্ত ৩ কোটি থেকে ৫ কোটি টাকা পুঁজি (সর্বনিম্ন অংশিদারীত্বের মূলধন ৩ কোটি টাকা) কোন স্বীকৃত স্টক এক্সচেঞ্জ তালিকাভুক্ত কোম্পানী বর্তমানে নিম্নলিখিত নির্ণায়ক থেকে সিএসই বিষয় এ তালিকা চাইতে পারেন:

 

 

    • কোম্পানীর মুনাফা তৈরীর অন্তত তিন বছর ট্র্যাক রেকর্ড থাকা উচিত।

 

  • ন্যূনতম বাজার মূলধন হবে গত ৬ (ছয়) মাসের গড় দামের ভিত্তিতে ১০ কোটি টাকা।
  • যে কোন স্টক এক্সচেঞ্জে গত তিনটি সম্পূর্ণ মাসের সর্বনিম্ন গড় আয়তন অবশ্যই বিলি প্রতি ৫০০ শেয়ার হতে হবে।
  • কোম্পানির প্রদত্ত মূলধনের ২৫% অবশ্যই জনসাধারণের সংস্থার স্বার্থে এবং তা একই কোম্পানির অডিটর দ্বারা প্রত্যয়িত হতে হবে।
  • কোম্পানীর অবশ্যই একটি ডিম্যাট ব্যবসার চুক্তি স্বাক্ষরে স্বীকার্য হবে।

প্রান্তিক সীমা এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্যগুলি অন্যান্য স্টক এক্সচেঞ্জের বিদ্যমান তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, সেগুলি পশ্চিমবঙ্গের নিবন্ধিত অফিসে স্থানান্তরিত করা হবে এর সভা ৭ই নভেম্বর, ১৯৯৬ তারিখে অনুষ্ঠিত কমিটি দ্বারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে।